বাদুড় বৃষ্টির মধ্যে দেবদারু গাছ ছেড়ে যায় – জয় গোস্বামী
জয় গোস্বামীর এই পঙ্ক্তিমালাটি এক গা ছমছমে পরাবাস্তবতা এবং ক্ষয়ের চিত্রকল্প। এখানে ‘বাদুড়’ কেবল একটি প্রাণী নয়, বরং এমন এক …
বাংলা সাহিত্যিক ব্যক্তিত্ব : বাংলা ভাষায় রচিত সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্য নামে পরিচিত। আনুমানিক খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর মাঝামাঝি বাংলা ভাষায় সাহিত্য রচনার সূত্রপাত হয়। খ্রিষ্টীয় দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত বৌদ্ধ দোহা-সংকলন চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন।
জয় গোস্বামীর এই পঙ্ক্তিমালাটি এক গা ছমছমে পরাবাস্তবতা এবং ক্ষয়ের চিত্রকল্প। এখানে ‘বাদুড়’ কেবল একটি প্রাণী নয়, বরং এমন এক …
তোমার পুরুষমুখে কাঁধ অবধি ঢুকিয়ে ছিলাম – জয় গোস্বামী তোমার পুরুষমুখে কাঁধ অবধি ঢুকিয়ে ছিলাম এখন আঙরা-কালো কাঠকয়লা থেকে বাষ্প …
জয় গোস্বামীর এই কবিতাটি এক অবাস্তব ও হাড়হিম করা দৃশ্যকল্পের মাধ্যমে মানবিক যন্ত্রণা এবং অস্তিত্বের হাহাকারকে মূর্ত করেছে। ‘ছাদে জড়ভরত …
জয় গোস্বামীর এই পঙ্ক্তিমালাটি সময় বা ‘কালস্রোত’-এর অমোঘ ক্ষমতার সামনে মানুষের অসহায়ত্ব ও অস্তিত্বের সংকটকে ফুটিয়ে তুলেছে। কবি এখানে সময়ের …
জয় গোস্বামীর এই পঙ্ক্তিমালাটি এক মায়াবী পরাবাস্তবতার চিত্রকল্প। এখানে পৃথিবী আর আকাশের দূরত্ব ঘুচে গিয়ে এক অলৌকিক শৈশব ও কল্পনার …
তোমাকে কাদার মধ্যে কাদাপাখি মনে করলাম – জয় গোস্বামী তোমাকে কাদার মধ্যে কাদাপাখি মনে করলাম। মাছ খুঁজছ? লম্বা সরু ঠোঁট …
ছাই – জয় গোস্বামী ফাল্গুনের ক্ষত, যাও, অন্ধকারে পায়ে কুশ ফুটে তারা চিনে চিনে ফিরে এসো । এরপর ক্ষুদ্ধ হিম …
জয় গোস্বামীর এই কবিতাটি হারানো মুহূর্তের এক বিষণ্ণ ও নান্দনিক উদ্যাপন। বৃষ্টির জমা জল আর ঢালু পথের রূপকে কবি নিজের …
বলি – জয় গোস্বামী অনামিকা কই? কাজল কোনদিকে গেল? সায়ন কোথায়? পিছনে তাকিয়ে দেখি সঙ্গে কেউ নেই প্রান্তরের মধ্যে এক …
জয় গোস্বামীর এই পঙ্ক্তিমালাটি মানুষের অস্তিত্বের দ্বিধা, নৈতিক সংকট এবং নিয়তির এক নিদারুণ বৈপরীত্যের ছবি। কবি এখানে মানুষের মৌলিক চরিত্রের …