অতীতের ছবি কবিতা – সুকুমার রায়
সুকুমার রায় (১৮৮৭–১৯২৩) বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য প্রতিভা, যিনি তাঁর হাস্যরসাত্মক, ব্যঙ্গাত্মক ও ছন্দময় রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। “অতীতের ছবি” …
সুকুমার রায় (১৮৮৭–১৯২৩) বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য প্রতিভা, যিনি তাঁর হাস্যরসাত্মক, ব্যঙ্গাত্মক ও ছন্দময় রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। “অতীতের ছবি” …
আকাশের ময়দানে বাতাসের ভরে, ছোট বড় সাদা কালো কত মেঘ চরে। কচি কচি থোপা থোপা মেঘেদের ছানা হেসে খেলে ভেসে …
রামগরুড়ের ছানা হাসতে তাদের মানা, হাসির কথা শুনলে বলে, “হাস্ব না-না না-না” । সদাই মরে ত্রাসে- ঐ বুঝি কেউ হাসে …
হাত-পা-ভাঙা নোংরা পুতুল মুখটি ধুলোয় মাখা, গাল দুটি তার খাবলা-মতন চোখ দুটি তা কোথায় বা তার চুল বিনুনি কোথায় বা …
ওই আমাদের পাগলা জগাই, নিত্যি হেথায় আসে ; আপন মনে গুন্ গুনিয়ে মুচকি হাসি হাসে । চলতে গিয়ে হঠাৎ যেন …
সুকুমার রায়ের এই কবিতাটি শৈশবের এক চিরন্তন ও মধুর দুষ্টুমিকে কেন্দ্র করে আবর্তিত। এখানে একটি ‘লোভী’ ছেলের মিষ্টির প্রতি তীব্র …
ঠাস্ ঠাস্ দ্রুম দ্রাম,শুনে লাগে খটকা– ফুল ফোটে? তাই বল! আমি ভাবি পট্কা! শাঁই শাঁই পন্ পন্, ভয়ে কান বন্ধ– …
সুকুমার রায়ের ‘আবোল-তাবোল’ ধারার এই কবিতাটি মানুষের ইন্দ্রিয়জ অনুভূতির এক কৌতুকপূর্ণ ও অসম্ভব চিত্রকল্প। এখানে আকাশ কিংবা গন্ধের মতো বিমূর্ত …
সুকুমার রায়ের এই পঙ্ক্তিমালাটি তাঁর চিরচেনা ‘ননসেন্স রাইম’ বা খামখেয়ালি গল্পের এক অনন্য উদাহরণ। এখানে কবি গল্প বলার চিরাচরিত দীর্ঘ …
জল ঝরে জল ঝরে সারাদিন সারারাত- অফুরান্ নামতায় বাদলের ধারাপাত । আকাশের মুখ ঢাকা, ধোঁয়ামাখা চারিধার, পৃথিবীর ছাত পিটে ঝামাঝম্ …