জীবনানন্দ দাসের অন্যতম মরমী কাব্যগ্রন্থ ‘সুদর্শনা’। এটি কবির মৃত্যুর ১৯ বছর পর ১৯৭৩ সালে গোপালচন্দ্র রায়ের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থে মোট ৪০টি কবিতা সংকলিত হয়েছে।

সুদর্শনা কাব্যগ্রন্থ (১৯৭৩)
‘সুদর্শনা’ কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলোর তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
১. সুদর্শনা
২. অন্ধকারে
৩. কুড়ি বছর পরে
৪. তোমার বুকের থেকে
৫. শ্যামলী
৬. পথচলা
৭. অনেক আকাশ
৮. ঘাস
৯. সোনালি চিল
১০. শিকার
১১. হরিণ
১২. বনলতা সেন
১৩. কাঁচ
১৪. বিড়াল
১৫. একটি কবিতা
১৬. আবার আসিব ফিরে
১৭. অঘ্রান প্রান্তরে
১৮. এই খানে
১৯. শঙ্খমালা
২০. সুরঞ্জনা
২১. সুচেতনা
২২. ধানকাটা হয়ে গেছে
২৩. সবিতা
২৪. সিন্ধুসারস
২৫. হাঁস
২৬. রাত্রি
২৭. ঘোড়া
২৮. সমুদ্রের তীরে
২৯. সোনালি বিকেল
৩০. কার্তিক মাঠের কুয়াশায়
৩১. নগ্ন নির্জন হাত
৩২. পঁচিশ বছর পরে
৩৩. জোনাকি
৩৪. ব্যবধান
৩৫. শকুনি
৩৬. অদ্ভূত আঁধার এক
৩৭. অবসরের গান
৩৮. ক্যাম্পে
৩৯. বোধ
৪০. মৃত্যু
এই কাব্যগ্রন্থের অনেকগুলো কবিতা কবির জীবদ্দশায় বিভিন্ন বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থে (যেমন: বনলতা সেন, মহাপৃথিবী, সাতটি তারার তিমির) প্রকাশিত হলেও, ১৯৭৩ সালের এই বিশেষ সংকলনে কবিতাগুলো সুনির্দিষ্ট বিন্যাসে প্রকাশিত হয়। মূলত কবির অপ্রকাশিত এবং অগ্রন্থিত পাণ্ডুলিপিগুলো পাঠকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এটি প্রকাশ করা হয়েছিল।
