ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ— ‘ফলা’ | রেফ | ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব | অধ্যায় ৩ | ভাষা ও শিক্ষা

ব্যঞ্জনবর্ণেল সংক্ষিপ্ত রূপ— ‘ফলা’ | রেফ | ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব | অধ্যায় ৩ | ভাষা ও শিক্ষা , স্বরবর্ণের মতো বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণেলও দুটি লিখিত রূপ রয়েছে : ১. ব্যঞ্জনবর্ণের পূর্ণরূপ : ব্যঞ্জনবর্ণের পূর্ণরূপ শব্দের প্রথমে, মধ্যে বা শেষে স্বাধীনভাবে বসে।

ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ— ‘ফলা’ | রেফ | ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব | অধ্যায় ৩ | ভাষা ও শিক্ষা

যেমন— শব্দের প্রথমে : কবিতা, পড়াশোনা, টগর। শব্দের মধ্যে : কাকলি, খুলনা, ফুটবল। শব্দের শেষে : আম, শীতল, সিলেট।

[৩.৭-২] [৩.৭–৩] ব্যঞ্জনবর্ণেল সংক্ষিপ্ত রূপ— ‘ফলা’ | রেফ | ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব | অধ্যায় ৩ | ভাষা ও শিক্ষা

 ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ— ‘ফলা’

২. ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ বা ফলা : অনেক সময় স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জবর্ণের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার জন্য ব্যঞ্জনবর্ণের আকার সংক্ষিপ্ত হয়ে যায়। ব্যঞ্জবর্ণের এই সংক্ষিপ্ত রূপকে ‘ফলা’ বলে। ব্যঞ্জনবর্ণের ‘ফলা’-চিহ্ন ৬টি। যথা :

য-ফলা : ব্যাঙ, খ্যাতি, সহ্য। র-ফলা : প্রমাণ, শ্রান্ত, ক্রয় । ব-ফলা : পক্ক, বিশ্ব, অশ্ব । ম-ফলা : পদ্ম, সম্মান, স্মরণ । ন / ণ-ফলা (, / ন ) : বিভিন্ন, যত্ন, রত্ন; অপরাহ্ণ ল-ফলা : ক্লান্ত, ম্লান, অম্ল।

[৩.৭-২] [৩.৭–৩] ব্যঞ্জনবর্ণেল সংক্ষিপ্ত রূপ— ‘ফলা’ | রেফ | ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব | অধ্যায় ৩ | ভাষা ও শিক্ষা

 রেফ

হসন্ত ‘র’ ধ্বনি ব্যঞ্জন ধ্বনির অব্যবহিত আগে ব্যবহৃত হলে, লেখার সময় সাধারণত র্ (র-এ হসন্ত) রূপে লেখা হয় না। সেটি রেফ ( ) রূপে লিখিত হয় এবং পরবর্তী ব্যঞ্জনের মাথায় বসে। যেমন— ধর্ম (ধ) (ধ + অ + র্ + ম্ + অ), বর্জন (ব্ + অ + র্ + জ্ + অ + ন্) ইত্যাদি।

[৩.৭-২] [৩.৭–৩] ব্যঞ্জনবর্ণেল সংক্ষিপ্ত রূপ— ‘ফলা’ | রেফ | ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব | অধ্যায় ৩ | ভাষা ও শিক্ষা

আরও দেখুন:

“ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ— ‘ফলা’ | রেফ | ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব | অধ্যায় ৩ | ভাষা ও শিক্ষা”-এ 5-টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন