গ্রীষ্ম (সর্বনেশে গ্রীষ্ম) – সুকুমার রায়
গ্রীষ্ম (সর্বনেশে গ্রীষ্ম) – সুকুমার রায় সর্বনেশে গ্রীষ্ম এসে বর্ষশেষে রুদ্রবেশে আপন ঝোঁকে বিষম রোখে আগুন ফোঁকে ধরার চোখে। তাপিয়ে …
বাংলা সাহিত্যিক ব্যক্তিত্ব : বাংলা ভাষায় রচিত সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্য নামে পরিচিত। আনুমানিক খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর মাঝামাঝি বাংলা ভাষায় সাহিত্য রচনার সূত্রপাত হয়। খ্রিষ্টীয় দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত বৌদ্ধ দোহা-সংকলন চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন।
গ্রীষ্ম (সর্বনেশে গ্রীষ্ম) – সুকুমার রায় সর্বনেশে গ্রীষ্ম এসে বর্ষশেষে রুদ্রবেশে আপন ঝোঁকে বিষম রোখে আগুন ফোঁকে ধরার চোখে। তাপিয়ে …
নন্দগুপি – সুকুমার রায় হঠাৎ কেন দুপুর রোদে চাদর দিয়ে মুড়ি, চোরের মতন নন্দগোপাল চল্ছে গুড়ি গুড়ি ? লুকিয়ে বুঝি …
আহ্লাদী – সুকুমার রায় হাসছি মোরা হাসছি দেখ, হাসছি মোরা আহ্লাদী, তিনজনেতে জট্লা ক’রে ফোক্লা হাসির পাল্লা দি । হাসতে …
নাচন – সুকুমার রায় নাচ্ছি মোরা মনের সাধে গাচ্ছি তেড়ে গান হুলো মেনী যে যার গলার কালোয়াতীর তান। নাচ্ছি দেখে …
একুশে আইন – সুকুমার রায় শিবঠাকুরের আপন দেশে , আইন কানুন সর্বনেশে! কেউ যদি যায় পিছলে প’ড়ে, প্যায়দা এসে পাক্ড়ে …
ছবি ও গল্প – সুকুমার রায় ছবির টানে গল্প লিখি নেইক এতে ফাঁকি যেমন ধারা কথায় শুনি হুবহু তাই আঁকি …
নারদ! নারদ! – সুকুমার রায় “হ্যাঁরে হ্যাঁরে তুই নাকি কাল সাদাকে বলেছিলি লাল ? (আর) সেদিন নাকি রাত্রি জুড়ে নাক …
ও বাবা ! – সুকুমার রায় পড়তে বসে মুখের পরে কাগজ খানি থুয়ে রমেশ ভায়া ঘুমোয় পড়ে আরাম ক’রে শুয়ে। …
ছুটি (ঘুচবে জ্বালা) – সুকুমার রায় ঘুচবে জ্বালা পুঁথির পালা ভাবছি সারাক্ষণ- পোড়া স্কুলের পড়ার পরে আর কি বসে মন …