কবি মশাই তুমি জানো, তোমাকে দেখে চোখ ক্লান্ত হয়না, বিবর্ণ হয়না সুখ! তুমি অদ্ভুত কবিতা প্রেমিক! তোমার সাথে কথার পথে আলাপ, কথায় কথায় পলাশের পাপড়িতে ভরে গেছে রাজপথ। ভালোলাগার মোড়ে এসে বেঁকে গেছে গন্তব্যের দিক, ফিরতি পথে তুমি এক বন্য আদিম নেশার ঝোঁক! সত্যি বলছি মায়ের দিব্যি, ছবির চেয়ে ঢের বেশি অভিব্যাক্তি তোমার চোখ! যে চোখে উন্মুখ থাকে কবিতার শোক! তোমার রাত্রির বাড়ি জীবনানন্দের পান্থশালা, প্রেয়সী তোমার শব্দ তরঙ্গ, চুলে বাঁধে সে প্যাচের খোপা, গায়ে বাসন্তী শাড়ি,পায়ে নিক্কণ, গলায় ছন্দহার! তার চোখে চোখ রেখে কাটে তোমার সন্ধ্যার অন্ধকার। কবি মশাই তুমি জানো, তোমার ঝাঁকড়া চুলের ঢেউয়ে রোজ হারায় কতো এলোকেশী মেয়ে। অথচ তুমি কবিতার চিলেকোঠায় ঠায় দাঁড়িয়ে। কবিতায় আছে নৈঃশব্দ্য বেনু যা চুপিসারে ইন্দ্রিয়াতীত স্রোতের নহর বইয়ে সৃষ্টির নেশায় মত্ত হবে, তোমাকে দেবে কী? পরিতৃপ্তি? সে গুড়ে বালি, তার কাছে আছে দহন ক্ষরণের ফালি! কবি মশাই তুমি জানো, কবিতা শুধু শব্দে বর্ণে হয়না রক্তে মাংসে ও হয়, পার্থক্য শুধু তাকে কেউ কেউ কাঠগোলাপ কয়।